• ১২ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২৯শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হারার পথে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে

Gagan Alonews
প্রকাশিত এপ্রিল ২, ২০২৬, ১১:৩৫ পূর্বাহ্ণ
হারার পথে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে

CREATOR: gd-jpeg v1.0 (using IJG JPEG v80), quality = 75

সংবাদটি শেয়ার করুন....

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের প্রেক্ষাপটে একটি বিশেষ গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তাসনিম নিউজ এজেন্সির কৌশলগত গবেষণা কেন্দ্র। বিশ্বের ৮০টি প্রধান থিঙ্ক ট্যাংকের গত এক মাসের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে এই গবেষণা দাবি করেছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক লক্ষ্য অর্জনে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হয়েছে।

তেরানভিত্তিক এই সংবাদ সংস্থার বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, সামরিক সরঞ্জামের দিক থেকে পশ্চিমা জোট প্রযুক্তিগত শ্রেষ্ঠত্ব দেখিয়ে কিছু নির্দিষ্ট স্থানে আঘাত করতে সক্ষম হলেও কৌশলগতভাবে তারা পরাজয়ের সম্মুখীন হয়েছে। বিশেষ করে ইরানের রাজনৈতিক ব্যবস্থার পতন ঘটানো বা দেশটির প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গুঁড়িয়ে দেওয়ার যে মূল লক্ষ্য ছিল, তা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে আক্রমণকারী পক্ষ।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান অত্যন্ত চতুরতার সাথে একটি অসম যুদ্ধ পরিচালনা করে যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নিয়েছে। হরমুজ প্রণালি দখল এবং সেখানে পশ্চিমা জোটের সামরিক ব্যর্থতা যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিগত ও সামরিক মর্যাদাকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।

বর্তমানে এই সংঘাত একটি দীর্ঘমেয়াদী ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধে পরিণত হয়েছে বলে থিঙ্ক ট্যাংকগুলোর মতামতে ফুটে উঠেছে, যেখানে সময়ের বিবর্তনে ইরান দিন দিন সুবিধাজনক অবস্থানে পৌঁছে যাচ্ছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের হাতে এখন মাত্র দুটি পথ খোলা আছে, হয় তারা একটি কৃত্রিম প্রচারণামূলক বিজয় সাজিয়ে যুদ্ধ থেকে সরে দাঁড়াবে, অথবা কোনো শর্ত ছাড়াই অবিলম্বে এই সংঘাতের সমাপ্তি ঘোষণা করবে।

এই গবেষণায় যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং এশিয়ার প্রভাবশালী সব গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তথ্য উপাত্ত যাচাই করা হয়েছে। এর মধ্যে ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশন, চ্যাথাম হাউস, র‍্যান্ড কর্পোরেশন এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের মতো বিশ্বখ্যাত সংস্থাগুলোর নাম উল্লেখযোগ্য। সামগ্রিকভাবে এই থিঙ্ক ট্যাংকগুলোর অবস্থান বিশ্লেষণ করে তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধে পশ্চিমা শক্তিগুলোর একতরফা আধিপত্যের অবসান ঘটেছে এবং ইরান তার কৌশলগত ও ভৌগোলিক অবস্থানকে ব্যবহার করে যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে।