বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে উখিয়ার কুতুপালং ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ‘সাব-ব্লক এ-৩’ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ক্যাম্পে নিরাপত্তায় থাকা ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ সিরাজ আমীন তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, কুতুপালং ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এ-৫ ব্লকের খদিজাতুল কুবরা মহিলা মাদ্রাসা ও হেফজখানায় পাহাড়ধসের ঘটনায় চারজন শিশু শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং চারজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
ক্যাম্প সূত্র জানায়, বুধবার সকাল থেকেই টানা ভারী বৃষ্টিপাতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৫-এর একটি সাব-ব্লকে ভয়াবহ পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। এসময় মাদ্রসায় প্রায় অর্ধশত শিক্ষার্থী ছিল বলে ধারণা। স্থানীয় রোহিঙ্গারা তাদের উদ্ধারে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ ঘটনায় তাৎক্ষনিক দু’জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে আরো দু’জনের মরদেহ মিলে। আহত অবস্থায় চার-পাঁচজনকে উদ্ধার করে হাসাপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৫ এর ইনচার্জ মোহাম্মদ আব্দুর রউফ জানান, পাহাড়ধসে আটকা পড়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের উদ্ধারকাজ চলমান। উদ্ধার অভিযান শেষ হলে ক্ষয়ক্ষতি ও অন্যান্য বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
উল্লেখ্য, চলমান সপ্তাহের শুরু হতে মঙ্গলবার পর্যন্ত কয়েকটি পাহাড় ধসের ঘটনায় ১০ রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়। আগত হয়েছেন অনেকে। বুধবার দিনের বেলায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাহাড়ধসের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৪জনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
উখিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তার বলেন, পাহাড় ধসে অনাকাঙ্খিত মৃত্যু ঠেকাতে ঝুঁকিপূর্ণ বাসে থাকা লোকজনকে নিরাপদে সরাতে মাইকিং ও প্রশাসনিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ক্যাম্পে মাদ্রাসায় পাহাড়ধস একবারে অনাকাঙ্খিত।