‘কে বড়, কার ক্ষমতা বেশি’—ঝালকাঠী বিএনপিতে চরম কোন্দল, হাইকমান্ডের হস্তক্ষেপ কামনা

Gagan Alonews
প্রকাশিত August 9, 2026, 19:27 PM
‘কে বড়, কার ক্ষমতা বেশি’—ঝালকাঠী বিএনপিতে চরম কোন্দল, হাইকমান্ডের হস্তক্ষেপ কামনা
সংবাদটি শেয়ার করুন....

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বি,এন,পি হাইকমান্ডের প্রতি বিশেষ নিবেদন, অতি দ্রুত ঝালকাঠী জেলার দিকে নজর দিন। ঝালকাঠীর বি,এন,পি পরিবার এখন চড়ম সংকটে, চলছে যাচ্ছে তাই আর দোষারোপের রাজনীতি। কেউ কাউকে যেন মানছেই না। অবস্থাদৃষ্টে যেন মনে হচ্ছে সবাই রাজনীতি ও দলীও শিষ্ঠাচার ভূলে গেছেন। কে বড়, কার ক্ষমতা বেশি এ নিয়ে চলছে প্রতিদিন অসম লড়াই। এ এক অপ্রকাশ্য ক্ষমতার যুদ্ধ। এমনটা চলতে থাকলে নেতাদের কি হবে জানিনা-কারন ওনাদের আছে টাকা, ক্ষমতা, পদ-পদবী কিন্তু হারিয়ে যাবে বি,এন,পি নিবেদিত, রক্ত, ত্যাগ সংগ্রামে গড়া বহু তৃনমুল সাধারন নেতাকর্মী যাদের ভাগ্যে এখন তিন বেলা খাবার যোগানো দায় হয়ে পরেছে। মাঝখান থেকে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে দালালগুলো যারা বাসুদা নামে পরিচিত(বাংলাদেশ সুবিধাবাদী দল)।

একজন নিবেদিত বি,এন,পি কর্মী ও জুলাই যোদ্ধা হিসেবে এগুলো আমার মতো অনেককেই ভীষনভাবে পীড়া দেয়। হাজার প্রশ্নের জন্ম দেয়, যে দল এবং দেশের জন্য প্রান দিয়েছেন স্বাধীনতার ঘোষক- শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম, বন্দীশালায় বন্দী শিকলে ধুকে ধুকে শেষ নি:শ্বাষ ত্যাগ করেছেন এদেশের মাটি ও মানুষের মা, গনতন্ত্রের অতন্ত্র প্রহরী, আপোষহীন নেত্রী ও সাবেক তিন বারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, কি শিক্ষা নিয়েছে তার অনুসারীরা? রাজনীতি কি? কিই বা এর আদর্শ? দলীয় শৃঙ্খলা, গঠনতন্ত্র? কে মানবে কার কথা?

ভূলে গেলে চলবেনা, মাগুড়া উপ নির্বাচনের বিস্মৃতি আজো ভাসমান। বি,এন,পি’কে দিতে হয়েছিলো চড়ম মাশুল যেখানে দলীয় হাই কমান্ডের কোন হস্তক্ষেপ ছিলো না। ওয়ান-ইলেভেন থেকে ১৭ বছর রাষ্ট্র পরিচালনার বাইরে ছিলো- এক সাগর রক্ত পেরিয়ে, হাজারো গুম, খুনের শীকাড় হয়ে ৫ই আগষ্টের রক্তঝড়া সংগ্রামের পট পরিবর্তনে মহান আল্লাহ আবারও বি,এন,পি’কে রাষ্ট্র পরিচালনায় নিয়ে এসেছে কিন্তু এখনও শিক্ষার বড়ই অভাব। ক্ষমতা যে চিরস্থায়ী নয়, মানতে হবে সে কথা।

একটি জেলার বিতর্কীত কর্মকান্ডে যে পুড়ে শেষ হতে পারে রাজার মসনদ সেটা শুধু স্মরন করিয়ে দেয়া ছাড়া কিছুই করার নেই আমার মত কর্মীদের। শুধু এতটুকুই দাবী জানাই নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে অভ্যন্তরীন দলীয় এই কোন্দলের অতি দ্রুতই নিরষন হওয়া দরকার। দ্রোহের আগুনে শুধু ক্ষোভই বাড়ায় না, বড় বড় ক্ষত চিহ্নও একে দেয়।

যেখানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বি,এন,পি চেয়ারম্যান-জনাব তারেক রহমান প্রতিদিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন দলের ভাবমুর্তি উজ্জল করতে, নতুনভাবে দেশটাকে সাজাতে, শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে,মেসেজ দিয়েছেন সবার আগে বাংলাদেশ- এর মর্ম কি বুজতে পেরেছি? মনে তো হচ্ছে না! কে শুনে কার কথা! এ দেশের মানুষদের ওনাকে সময় দিতে হবে, আস্থা ও ধৈর্য্য রাখতে হবে। খাই খাই, বাহাদুরী আর দোষারোপের অভ্যাসটা ছাড়তে হবে। বাংলাদেশ বাঁচলে নেতারাও বাঁচবেন, আমরাও বাঁচবো, ভালোভাবেই বাঁচবো। মাথা উচু করে, গর্ব করে বলতে পারবো – সাবাশ বাংলাদেশ

মো: রেজাউল হাসান মুন্না
প্রবাসী কল্যান সম্পাদক, ঝালকাঠী সদর উপজেলা বি,এন,পি
সভাপতি, ঢাকা মহানগড় উত্তর, জাতীয়তাবাদী নাগড়িক সমাজ
সাংবাদিক ও ব্যবসায়ী।