• ১৮ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের নতুন কমিটির নেতৃত্বে কে আসতে পারেন তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

Gagan Alonews
প্রকাশিত মে ৬, ২০২৬, ১৯:৫৭ অপরাহ্ণ
জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের নতুন কমিটির নেতৃত্বে কে আসতে পারেন তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।
সংবাদটি শেয়ার করুন....

বিশেষ প্রতিনিধি: রেজাউল হাসান মুন্না

দলীয় কার্যক্রম গতিশীল রাখতে ও তৃণমূল পর্যায়ে তা জোরদার করতে দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর কমিটি পূর্ণগঠন করার উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি। এর অংশ হিসেবে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের নতুন কমিটির নেতৃত্বে কে আসতে পারেন তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

দলের একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, কমিটি গঠনের কাজ চলছে। কমিটির সুপার ফাইভে কারা স্থান পেতে পারেন, সে বিষয়ে দলের হাইকমান্ড খোঁজ খবর নিচ্ছেন। দলের হাই কমান্ডের সিদ্ধান্তে দ্রুতই কমিটি চূড়ান্ত হতে পারে।

সংগঠনের নেতারা জানান, বর্তমান সভাপতি এস এম জিলানী এবং সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর সাংগঠনিক কার্যক্রমে তাদের সময় দেওয়ার বিষয়টি সীমিত হয়ে পড়েছে এবং পাশাপাশি কমিটির মেয়াদও শেষ হয়ে গেছে। এমন প্রেক্ষাপটে স্বেচ্ছাসেবক দলের নতুন কমিটি গঠনের বিষয়টি আলোচনায় চলে আসে। নেতারা বলছেন, সম্প্রতি বিএনপি চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান, সিনিয়র সহসভাপতি ইয়াছিন আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান। সেখানে কমিটি পূর্ণগঠনের বিষয়ে আলোচনা হয়। এবারও নতুন ও পুরোনো নেতাদের সমন্বয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ কমিটি গঠন করা হবে। যারা রাজপথে সক্রিয় ছিলেন এবং তৃণমূল নেতাকর্মীদের কাছে যাদের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে, তারাই শীর্ষ পদে অগ্রাধিকার পাবেন।

কমিটি পুনর্গঠন প্রসঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান বলেন, সংগঠনের কমিটি পুনর্গঠন একটি চলমান প্রক্রিয়া। এ বিষয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

শীর্ষ পদে আলোচনায় যারা :
শীর্ষ পদে আলোচনায় আছেন সভাপতি পদে বর্তমান কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি ইয়াসীন আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান, সহসভাপতি ফখরুল ইসলাম রবিন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি জহির উদ্দিন তুহিন প্রমুখ।

সাধারণ সম্পাদক পদে বর্তমানে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক-আব্দুর রহিম হাওলাদার সেতু, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক কাজী মোক্তার হোসেন, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক, উত্তরের সভাপতি শেখ ফরিদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফয়েজুল্লাহ ফয়েজসহ কয়েকজন আলোচনায় রয়েছেন।

এ ছাড়া ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের মধ্যে একাধিক নেতার নাম রয়েছে আলোচনায়। এদের মধ্যে আলোচনায় আছেন, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামলসহ ছাত্রদলের বর্তমান কমিটির নেতৃবৃন্দও।

স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারন সম্পাদক হিসেবে জোর আলোচনায় থাকা বর্তমান যুগ্ম সাধারন সম্পাদক- আব্দুর রহিম হাওলাদার সেতু বলেন, বিগত ১৭ বছরে আওয়ামী ফ্যাসিষ্ট বিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে থেকে জুলুম নির্যাতন সহ্য করে যারা দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এদেরকে দিয়ে কমিটি দেয়া হলে তারা তৃনমূলকে সংগঠিত করে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে পারবেন। আমাদের সাংগঠনিক অভিভাবক বিএনপি’র চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান সেচ্ছাসেবক দলকে আগামী দিনের রাজনীতীতে রাজপথের অতন্ত্র প্রহরী হিসেবে গঠন করবেন এবং যোগ্য ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের যথাযত মূল্যায়ন করবেন বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।